‘বিরোধী দলের কথায় কেন পদত্যাগ’
|
||||
|
||||
পদত্যাগে বিরোধী দলের আহ্বানের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে রোববার তিনি বলেন, “বিরোধী দল আমাকে পদ দেয়নি, তাদের কথায় এ পদ থেকে যাবও না।”
রেল ভবনে মন্ত্রী এই কথা বলার কয়েক ঘণ্টা আগেই বিএনপির সংসদীয় দল এক সংবাদ সম্মেলনে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।
সহকারীর অর্থ কেলেঙ্কারিতে চাপের মধ্যে থাকা সুরঞ্জিত দুই দিন আগে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দোষ প্রমাণিত হলে তার সরে দাঁড়াতে এক মুহূর্তও দেরি হবে না।
সেদিন নমনীয় দেখালেও ওই ঘটনায় রেলের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ইউসুফ আলী মৃধা, জিআরপির ঢাকার কমান্ডেন্ট এনামুল হককে বরখাস্ত এবং নিজের এপিএস ওমর ফারুক তালুকদারকে চাকরিচ্যুত করার পর বেশ দৃঢ় দেখাচ্ছিল সুরঞ্জিতকে।
বিরোধী দলের কথায় না হলে প্রধানমন্ত্রীর কথায় পদত্যাগ করবেন কি না- রোববার এই প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, “সিদ্ধান্ত যারা নিতে পারে, সেখান থেকেই আসবে।”
গত সোমবার গভীর রাতে রাজধানীর জিগাতলা মোড়ে বিজিবি সদর দপ্তরের মূল ফটকে এপিএসের গাড়িতে টাকা পাওয়ার পর থেকে চাপে রয়েছেন সুরঞ্জিত।
তিনি গত বৃহস্পতিবার বলেন, “আজীবন তীর ছুড়েছি, এবার তীরবিদ্ধ হয়েছি। এবার তীরের যন্ত্রণা বুঝছি। কী যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে,,,।”
পাঁচ মাস আগে মন্ত্রিত্বের দায়িত্ব পাওয়া সুরঞ্জিত অবশ্য দাবি করে আসছেন, রেলওয়েকে দুর্নীতিমুক্ত করতে গিয়ে চক্রান্তের শিকার হয়েছেন তিনি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন